Uncategorized

জান্তে হোক বা অজান্তে নাকে বা কানে কিছু ঢুকে সমস্যার শেষ থাকে না আমাদের।

জান্তে হোক বা অজান্তে নাকে বা কানে কিছু ঢুকে সমস্যার শেষ থাকে না আমাদের। ছোটরা বড়দের কথা না শুনে নিজের মতো খেলাধূলা করবে এটাই স্বাভাবিক ব্যপার। খেলার সময় বাচ্চারা অনেকসময় না বুঝেই কিছু জিনিস নাকে কানে কিংবা গলায় দিয়ে ফেলে। তখনই বাচ্চারা তো বএখানে মনে রাখা দরকার যে, নাকে কোনও বস্তু ঢুকলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই নাকে সর্দি হয়। জল পড়ে টপটপ করে। তখন নাকে বস্তু ঢুকে রয়েছে বলে ধরে নিয়ে চিকিত্সকের কাছে যাওয়ার ভালো।

নাকে কী আছে তা ডাক্তারেরা এক্স-রে করে নিশ্চিত হন। ধাতব বাদে অন্য ধরনের কোনও বস্তু হলে নাকের মধ্যে ক্যামেরাযুক্ত নল ঢুকিয়ে দেখেন ডাক্তারেরা। বস্তু এবং তার অবস্থান সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করে সেই বস্তুটিকে বাইরে বের করে দেন। তাই নাকে কিছু আটকে গেলে দেরি না করে অবশ্যই চিকিত্সকের কাছে যান।

কানে কিছু ঢুকলে: কোনও বস্তু কানে ঢুকিয়ে দিতে বাচ্চারা হয়তো দুবার ভাবে না। আর সেখানেই কেলেঙ্কারি হয়ে যায়। শুধু বাচ্চা নয়, বড়দের ক্ষেত্রেও একটি ঘটনা ঘটতে পারে। এই পরিস্থিতিতে সময় থাকতে থাকতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কানের ফুটোর মধ্যে পোকামাকড়, মশা-মাছি প্রভৃতি ঢুকে আটকে পড়ে, সে ক্ষেত্রে বাড়িতে নিজেরা খোঁচাখুঁচি করলে সমস্যা আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। শিশু ছাড়াও বড়দের কানের ভিতরে পোকামাকড়, মশা-মাছি অনেক সময় ঢুকে যায়। এক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে শিশুকে অথবা আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিত্সকের কাছে নিয়ে যেতে না পারলে বাড়িতে প্রথমেই বুঝতে চেষ্টা করুন, কানের মধ্যে যে জিনিসটি ঢুকেছে, সেটি জীবন্ত কিছু না কি জড় পদার্থ।

জড় পদার্থ ঢুকে থাকলে চিকিত্সকের কাছে যেতে সামান্য দেরি হলেও অসুবিধা নেই। কিন্তু কানে মশা-মাছি, তেলাপো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *